বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

বুয়েটে চান্স পেলেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই

প্রতিনিধির নাম / ১০০ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২

ছবি সংগ্রহীত
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়েছেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাতে বুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে আবরার ফাইয়াজ ৪৫০তম হয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগে চান্স পেয়েছে।

তবে চান্স পেলেও ভর্তির বিষয়ে এখনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন ফাইয়াজ। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে আছে, তবে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিব।
এদিকে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন রাজধানীর নটরডেম কলেজের আসীর আনজুম খান।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের একটি হলে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী আবরারকে ৬ ঘণ্টা ধরে নির্যাতন করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ৭ অক্টোবর তার বাবা ১৯ শিক্ষার্থীকে আসামি করে মামলা করেন।

এরপর মামলা তদন্ত করে পুলিশ মোট ২৫ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়, যাদের সবাই বুয়েটের বিভিন্ন বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত।
গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় আদালত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়েছেন আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ।
আবরার ফাহাদের মা মোছাম্মদ রোকেয়া খাতুন আরটিভি নিউজকে বলেন, ফায়াজ আবরার মেধাতালিকায় ৪৫০ তম স্থান অধিকার করেছে। মেকানিক্যাল বিষয়ে তিনি ভর্তি হতে পারবেন।

তবে ভর্তি হবেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসছে ঈদে পরিবারের সবাই একত্রিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেবেন।
কান্না জড়িত কন্ঠে মা রকেয়া খাতুন আরও বলেন, আবরার না থাকার কারণে যে ক্ষতিটা হয়েছে তা কোনো কিছুতেই পুষিয়ে নেওয়া যাবে না।

ফাইয়াজ আবরারের বুয়েটের স্নাতকে চান্স পাওয়ার এই খবরে বারবার আবরার ফাহাদের স্মৃতি মনে পড়ে কেঁপে উঠছে মায়ের বুক।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাতে বুয়েটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে আবরার ফাইয়াজ ৪৫০তম হয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগে চান্স পেয়েছে। তবে চান্স পেলেও ভর্তির বিষয়ে এখনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন ফাইয়াজ। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে আছে, তবে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের একটি হলে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীরা আবরারকে ৬ ঘণ্টা ধরে নির্যাতন করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ৭ অক্টোবর তার বাবা ১৯ শিক্ষার্থীকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন। এরপর মামলা তদন্ত করে পুলিশ মোট ২৫ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়, যাদের সবাই বুয়েটের বিভিন্ন বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত।

গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ