ছবি সংগ্রহীত
এবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ হেলিকপ্টার জলাশয়ে জরুরি অবতরণ করেছে। আজ বুধবার ২৭ জুলাই দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার একটি জলাশয়ে আর্মি এভিয়েশনের বিইএলএল-২০৬ হেলিকপ্টারটি জরুরি অবতরণ করে।
এ সময় হেলিকপ্টারে থাকা দুই পাইলটকে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আনা হয়েছে।
এদিকে হেলিকপ্টারে থাকা পাইলট লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসমাইল এবং মেজর শামসের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষে থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর আরও জানায়, ঘটনাস্থল ও হেলিকপ্টারের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় পুলিশ সহায়তা দিচ্ছে। এছাড়াও, পোস্তগোলা এবং মাওয়া সেনানিবাস থেকে নিরাপত্তা ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন ??
নিত্যপণ্যের দাম অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে: প্রধানমন্ত্রী
আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশগুলো যুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি বহন করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। আমাদের সবার উচিত সাহসের সঙ্গে এই মানবিক সংকট মোকাবেলায় এগিয়ে আসা।’ আজ বুধবার ২৭ জুলাই সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত অর্থনৈতিক সহযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক জোট ডি-৮-এর ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এবং ডি-৮ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ২০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে সময় আমরা সবাই কভিড-১৯ মহামারিতে বিপর্যস্ত ছিলাম, সে সময় রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত বিশ্বকে নতুন করে বিপদে ঠেলে দিয়েছে। সংঘাত এবং পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা এবং পাল্টা নিষেধাজ্ঞা খাদ্য, সার, শক্তি ও বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশগুলো যুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি বহন করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। আমাদের সবার উচিত সাহসের সঙ্গে এই মানবিক সংকট মোকাবেলায় এগিয়ে আসা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কভিড-১৯ মহামারি সংঘাত, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিশ্ব কঠিন সময় অতিক্রম করছে। কাজেই শক্তিশালী বহুপক্ষীয় সহযোগিতার প্রয়োজন এবং বৈশ্বিক সংহতি এই লক্ষ্যে আগের চেয়ে আরো বেশি মনোযোগের দাবি রাখে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ডি-৮ এখন সমন্বয় তৈরির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ করতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং আমাদের সরকারি ও বেসরকারি খাতের অর্থপূর্ণ সহযোগিতার মাধ্যমে এটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের অপার সম্ভাবনা যদি সঠিকভাবে উপলব্ধি করা যায় তাহলে একটি অর্থনৈতিক ব্লক হিসেবে শক্তি বৃদ্ধি পাবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া এবং তুরস্কের মতো অন্তর্ভুক্ত ডি-৮ দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করছে শুনে আমি আনন্দিত। এটি আন্তর্দেশীয় বাণিজ্যকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সাহায্য করবে। সব বাধা দূর করবে এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে উদ্দীপিত করবে